IQNA

অডিও | হযরত ঈসা (আ.)এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে “মোহাম্মাদ আওয়াদ আল-ইমামী”র মনোমুগ্ধকর তিলাওয়াত

0:07 - December 26, 2022
সংবাদ: 3473064
তেহরান (ইকনা): পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হযরত মারইয়ামের ঘটনা এবং হযরত ঈসা (আ.)এর জন্মের ঘটান বর্ণিত হয়েছ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হযরত ঈসা (আ.)এর পবিত্র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ইসলামী বিশ্বের প্রসিদ্ধ ক্বারি “মোহাম্মাদ আওয়াদ আল-ইমামী”র কুরআন তিলাওয়াতের একটি অডিও ফাইল অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে।

মোহাম্মাদ আওয়াদ আল-ইমামী সূরা মারইয়ামের ১৬ থেকে ৩০ নম্বর আয়াত তিলাওয়াত করেছন। তার এই তিলাওয়াতের ফাইলটি কুরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা “ইকনা”র দর্শনার্থীদের জন্য প্রকাশ করা হল:


«وَاذْكُرْ فِي الْكِتَابِ مَرْيَمَ إِذِ انْتَبَذَتْ مِنْ أَهْلِهَا مَكَانًا شَرْقِيًّا، فَاتَّخَذَتْ مِنْ دُونِهِمْ حِجَابًا فَأَرْسَلْنَا إِلَيْهَا رُوحَنَا فَتَمَثَّلَ لَهَا بَشَرًا سَوِيًّا، قَالَتْ إِنِّي أَعُوذُ بِالرَّحْمَنِ مِنْكَ إِنْ كُنْتَ تَقِيًّا، قَالَ إِنَّمَا أَنَا رَسُولُ رَبِّكِ لِأَهَبَ لَكِ غُلَامًا زَكِيًّا، قَالَتْ أَنَّى يَكُونُ لِي غُلَامٌ وَلَمْ يَمْسَسْنِي بَشَرٌ وَلَمْ أَكُ بَغِيًّا، قَالَ كَذَلِكِ قَالَ رَبُّكِ هُوَ عَلَيَّ هَيِّنٌ وَلِنَجْعَلَهُ آيَةً لِلنَّاسِ وَرَحْمَةً مِنَّا وَكَانَ أَمْرًا مَقْضِيًّا، فَحَمَلَتْهُ فَانْتَبَذَتْ بِهِ مَكَانًا قَصِيًّا، فَأَجَاءَهَا الْمَخَاضُ إِلَى جِذْعِ النَّخْلَةِ قَالَتْ يَا لَيْتَنِي مِتُّ قَبْلَ هَذَا وَكُنْتُ نَسْيًا مَنْسِيًّا، فَنَادَاهَا مِنْ تَحْتِهَا أَلَّا تَحْزَنِي قَدْ جَعَلَ رَبُّكِ تَحْتَكِ سَرِيًّا، وَهُزِّي إِلَيْكِ بِجِذْعِ النَّخْلَةِ تُسَاقِطْ عَلَيْكِ رُطَبًا جَنِيًّا، فَكُلِي وَاشْرَبِي وَقَرِّي عَيْنًا فَإِمَّا تَرَيِنَّ مِنَ الْبَشَرِ أَحَدًا فَقُولِي إِنِّي نَذَرْتُ لِلرَّحْمَنِ صَوْمًا فَلَنْ أُكَلِّمَ الْيَوْمَ إِنْسِيًّا، فَأَتَتْ بِهِ قَوْمَهَا تَحْمِلُهُ قَالُوا يَا مَرْيَمُ لَقَدْ جِئْتِ شَيْئًا فَرِيًّا، يَا أُخْتَ هَارُونَ مَا كَانَ أَبُوكِ امْرَأَ سَوْءٍ وَمَا كَانَتْ أُمُّكِ بَغِيًّا، فَأَشَارَتْ إِلَيْهِ قَالُوا كَيْفَ نُكَلِّمُ مَنْ كَانَ فِي الْمَهْدِ صَبِيًّا، قَالَ إِنِّي عَبْدُ اللَّهِ آتَانِيَ الْكِتَابَ وَجَعَلَنِي نَبِيًّا»


(হে রাসূল!) এ গ্রন্থে মারইয়ামকে স্মরণ কর, যখন সে নিজের পরিবারবর্গ হতে পৃথক হয়ে পূর্বদিকের এক স্থানে গমন করল। অতঃপর তাদের থেকে নিজেকে পর্দাবৃত (আড়াল) করল, তখন আমরা আমাদের রূহ (জিবরীল)-কে তার নিকট প্রেরণ করলাম। সে তার নিকট পূর্ণ মানবাকৃতিতে আত্মপ্রকাশ করল। সে (মারইয়াম) বলল, ‘তুমি যদি আত্মসংযমী হও (আল্লাহকে ভয় কর), তবে আমি তোমা হতে দয়াময়ের আশ্রয় কামনা করছি।’ সে বলল, ‘আমি তো কেবল তোমার প্রতিপালকের প্রেরিত, যেন তোমাকে এক পবিত্র পুত্র দান করি।’
সে (মারইয়াম) বলল, ‘আমার পুত্র কীরূপে হতে পারে, যেক্ষেত্রে আমাকে কোন মানুষই (পুরুষ) স্পর্শ করেনি এবং আমি অসচ্চরিত্রও নই।’ সে বলল, ‘এরূপই হবে, তোমার প্রতিপালক বলেছেন, ‘এটা আমার পক্ষে সহজসাধ্য; (ঈসাকে এরূপে সৃষ্টি করেছি) এজন্য যে, আমি তাকে মানুষের জন্য নিদর্শন করব এবং আমার পক্ষ হতে এক অনুগ্রহস্বরূপ হবে; আর এ ব্যাপার তো স্থিরীকৃত।’ অতঃপর সে তাকে (ঈসা) গর্ভে ধারণ করল এবং তাকে নিয়ে (নিরালায়) দূরবর্তী এক স্থানে চলে গেল।
অতঃপর প্রসব বেদনা তাকে এক শুষ্ক খেজুর গাছের কাণ্ডের দিকে নিয়ে এল; সে বলল, ‘হায় আমি যদি এর পূর্বে মারা যেতাম এবং সম্পূর্ণরূপে বিস্মৃত হয়ে যেতাম!’ তখন সে (জিবরীল) তার নিম্নদেশ থেকে তাকে আহ্বান করে বলল, ‘তুমি দুঃখ কর না, নিঃসন্দেহে তোমার প্রতিপালক তোমার পাদদেশে এক প্রস্রবণ সৃষ্টি করেছেন। আর খেজুর গাছের কা- নিজের দিকে নাড়া দাও, তা হতে তোমার ওপর সুপক্ব-তাজা খেজুর ঝরে পড়বে।’ সুতরাং আহার কর, পান কর এবং নয়ন জুড়াও; এবং মানুষের মধ্যে কাউকেও যদি তুমি দেখ তবে (ইঙ্গিতে) বল, ‘আমি দয়াময়ের নিমিত্ত রোযা মানত করেছি। সুতরাং (আজ) আমি কোন মানুষের সঙ্গে কোনক্রমেই কথা বলব না।’
অতঃপর সে তাকে (শিশুকে) কোলে নিয়ে নিজ সম্প্রদায়ের নিকট উপস্থিত হল। তারা বলল, ‘হে মারইয়াম! নিঃসন্দেহে তুমি বড়ই আশ্চর্য (ও কদর্য) বিষয় এনেছ। হে হারুন-ভগিনী! না তোমার পিতা অসৎ ব্যক্তি ছিল, আর না তোমার মাতা দুরাচারিণী ছিল।’ সে তার (শিশু) দিকে ইশারা করল। তারা বলল, ‘তার সাথে আমরা কেমন করে কথা বলব, যে দোলনাতে শিশু অবস্থায় রয়েছে?’ সে (শিশু) বলল, ‘নিশ্চয় আমি আল্লাহর বান্দা, তিনি আমাকে গ্রন্থ দান করেছেন এবং আমাকে নবী করেছেন। 4109469

captcha